শিরোনাম:

রবিবার, ২৫ জুন, ২০২৩

জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে গোল পাতার গুড়

 


পটুয়াখালী; জনপ্রিয় হয়ে উঠছে পটুয়াখালীর গোল পাতার গুড়।বাণিজ্যিক রূপ নিচ্ছে গোল পাতা গুড়ের উৎপাদন। সুমিষ্ট ও ভেজাল মুক্ত হওয়ায় কুয়াকাটাগামী পর্যটকসহ অনেকেই আগ্রহী হচ্ছেন এ গুড় কিনতে। যদিও গুড় উৎপাদনের সঙ্গে জড়িতরা বলছেন দিনকে দিন বাগান সংকুচিত হওয়ায় উৎপাদন টিকিয়ে রাখা কষ্টকর হচ্ছে। সরকারিভাবে আরো বাগান সৃষ্টি করে পৃষ্ঠপোষকতা দেয়া হলে দেশের গন্ডি পেরিয়ে এ গুড় বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে সক্ষম বলে দাবী স্থানীয়দের।

পিঠা-পুলি বানাতে আখ কিংবা খেজুর গুড়ের কোনো জুড়ি নেই। কিন্তু এবার সেই জায়গা দখল করে নিচ্ছে অযত্ন অবহেলায় বেড়ে ওঠা গোলপাতার গুড়। পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার পাখিমারা গ্রামে বানিজ্যিক ভাবে উৎপাদন হচ্ছে এ গুড়। নোনা পানির গাছ হিসেবে গোল পাতার পরিচয় থাকলেও দীর্ঘকাল থেকে এ অঞ্চলের বাসিন্দারা গোলগাছ থেকে রস সংগ্রহ করে স্বল্প পরিসরে গুড় তৈরি করতেন। কিন্তু বর্তমানে চাহিদা বাড়ায় এখন বাণিজ্যিকভাবে গুড় উৎপাদন করছেন তারা। তবে বাগান ছোট আকারে হওয়া এবং স্বল্প মুল্যের কারণে এ গুড়ের উৎপাদন টিকিয়ে রাখা কষ্টকর হচ্ছে বলে দাবি উৎপাদনের সঙ্গে জড়িতদের।

এ ব্যাপারে পটুয়াখালী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রির জুনিয়র সহ-সভাপতি মো.মিজানুর রহমান মনির খান জানান, গোলবাগান বেঁচে থাকলেই এ শিল্প বেঁচে থাকবে। আগামী দিনে গোল চাষীদের প্রশিক্ষনের মাধ্যমে গোলের উৎপাদন বৃদ্ধি করে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানীর পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানান এই ব্যবসায়ী নেতা।

পটুয়াখালী উপকূলীয় বন বিভাগের দায়িত্বে থাকা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, স্থানীয় গোলগাছের গুড় উৎপাদনকারীদের কথা বিবেচনা করে উপকূলীয় বন বিভাগ আগামী অর্থ বছরে নতুন নতুন গোলবাগান তৈরির পরিকল্পনা করছে।

এলাকার বাবুল মিস্ত্রী নামে একজন জানান, আখ কিংবা খেজুর গুড়ের চেয়ে ঘন ও সুস্বাদু গোলের গুড় এরইমধ্যে নজর কেড়েছে পর্যটকসহ স্থানীয় ক্রেতাদের। সরকারি পৃষ্ঠপোষকাতার মাধ্যমে এ গুড়ের উৎপান বৃদ্ধি করে শুধুমাত্র দেশে নয়, বিদেশেও রপ্তানী সম্ভব বলে জানান স্থানীয়রা।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন